Connect with us

নাটক

ইউটিউবে ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে ‘তোমাদের গল্প’, যে নাটক দেশ-বিদেশের দর্শকদের কাঁদিয়েছে

সিনেমাওয়ালা রিপোর্টার

Published

on

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুক্তি পাওয়া নাটকের মধ্যে ইউটিউবে ট্রেন্ডিংয়ে এখন শীর্ষে আছে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘তোমাদের গল্প’। এতে যৌথ পরিবারের মাঝে বন্ধন অটুট থাকার গল্প বলা হয়েছে। দেড় ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের এই নাটকের বেশিরভাগ দৃশ্য দর্শকদের আবেগপ্রবণ করেছে। হৃদয়ছোঁয়া কিছু মুহূর্ত দেখে অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি।

ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ্যানেলে ঈদের দিন (৩১ মার্চ) বিকেল ৪টায় এসেছে ‘তোমাদের গল্প’। চার দিনে এটি দেখা হয়েছে ৫০ লাখ বারের বেশি। এতে মন্তব্য পড়েছে ২০ হাজারের বেশি।

‘তোমাদের গল্প’ নাটকের পোস্টার (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

‘তোমাদের গল্প’ নাটকের চিত্রনাট্য লিখেছেন সিদ্দিক আহমেদ। শহুরে এক তরুণের গ্রামে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে যাওয়ার ঘটনা নিয়েই এর গল্প। ছেলেটির নাম রাতুল। তার চরিত্রে ফারহান আহমেদ জোভানের অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শকরা। রাতুলের চাচাতো বোন তুলির সঙ্গে তার দুষ্টু-মিষ্টি রসায়ন গড়ে ওঠে। তুলি চরিত্রে তানজিম সাইয়ারা তটিনীর প্রতি ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন ভক্তরা।

নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, সাবেরি আলম, মনিরা আক্তার মিঠু, শিল্পী সরকার অপু, নাদের চৌধুরী, বড়দা মিঠু, এমএনইউ রাজু, সমু চৌধুরী ও শিশুশিল্পী আয়াত।

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

দেশ-বিদেশের অসংখ্য দর্শক ও প্রবাসীরা ইউটিউবে মন্তব্যের ঘরে নাটকটি নিয়ে নিজেদের ভালো লাগার অনুভূতি জানিয়েছেন। তাদের বিশেষণে এটি, ‘এককথায় অসাধারণ’, ‘পুরস্কার পাওয়ার মতো’, ‘শ্রেষ্ঠ নাটক’। এমন দারুণ একটি নাটক নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন হাবিবুর রহমান নিরব নামের দর্শকসহ অনেকে।

মো. আলমগীর ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, “হুমায়ূন আহমেদের ‘নক্ষত্রের রাত’ নাটকের পর এটাই আমার জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ নাটক। অনেক কান্না করেছি। জীবনের সঙ্গে অনেক মিল আছে। মন ছুঁয়ে গেলো।”

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে দিলারা জামান, শিল্পী সরকার অপু ও ফারহান আহমেদ জোভান (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

রাশেদুল ইসলাম মেঘ নামের একজন লিখেছেন, ‘আমার দেখা জীবনের সেরা নাটক। গল্পটা জীবন থেকে নেওয়া। যারা গ্রামে যৌথ পরিবারে থাকে তারা বুঝতে পারবে ভালো করে এর মূল্য কী। দীর্ঘ সাত বছর পর আজ অনেক কান্না করলাম নাটকটি দেখে।’

মো. হাসান নামের একজন লিখেছেন, ‘রক্তের মানুষগুলো যারা একসঙ্গে থাকে, যেসব পরিবারের সবাই একসঙ্গে থাকে, তারা সত্যিই ভাগ্যবান। বর্তমানে মানুষের মাঝ থেকে রক্তের আত্মীয়তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। তাই এমন একটি নাটক উপহার দেওয়ার জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ জানাই।’

সাকিব আল হাসান নামের একজন লিখেছেন, ‘নাটকট দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। নাটকটি দেখে যত কাঁদছি সর্বশেষ দুই-তিন বছরে মনে হয় না আমার চোখে এত পানি এসেছে। ১ সেকেন্ডও স্কিপ ছাড়া নাটকটি দেখলাম। আমার জীবনের কাহিনি আংশিক রাতুলের মতো। মন থেকে ধন্যবাদ জানাই যারা এত সুন্দর করে বাস্তব জীবনমুখী একটি নাটক আমাদের উপহার দিয়েছেন।’

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

তুষার ইমরান ও এসএম তৌফিক ইকবাল নামের দুই দর্শক লিখেছেন, ‘নাটকও যে মানুষকে কাঁদাতে পারে প্রথম দেখলাম। চোখের পানি ধরে রাখতে পারি নাই। এককথায় অসাধারণ।’

নাহার রিপা নামের একজন লিখেছেন, ‘অসাধারণ একটি নাটক। বহু বছর পর এমন একটি নাটক দেখে নিজের শৈবব-কৈশোরকে মনে পড়ে গেলো। আমাদের দাদির কথাও খুব করে মনে পড়লো। আমার দাদিও ছিলেন ঠিক এই নাটকের দাদির মতোই দেখতে। আমরা তার নাটক যতবার দেখি তখনই দাদির ছবি চোখে ভেসে ওঠে। আমাদের যৌথ পরিবার ঠিক এরকমই কাহিনি। নাটকের গল্পের সঙ্গে মিলে যায়। তবে আমাদের দাদি ও চাচাদের সঙ্গে যোগাযোগ হতো। আমরা যেতাম বছরে একবার হলেও। নাটক যে এভাবে হৃদয় স্পর্শ করতে পারে এটা আগে বুঝিনি। ধন্যবাদ নাটকের লেখক, পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রীসহ সকলকে।’

মাহফুজা জুঁই নামের এক দর্শকের মন্তব্য, ‘ঈদের মধ্যে এমন পারিবারিক ঘটনা হয়। এমনভাবে আমাদের সবার জীবনের কাহিনি তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।ঈদের মধ্যে এমন একটি নাটক ঈদের আনন্দ অনেক বাড়িয়ে দেয়।’

বেগম ফাহিমা নামের একজন দর্শকের মন্তব্য, ‘নাটকটি দেখে আমার জীবনের কোথায় যেন মিল খুঁজে পেয়েছি। শেষের দৃশ্যে চোখে পানি ধরে রাখতে পারি নাই। সকল অভিনেতা-অভিনেত্রী অসাধারণ অভিনয় করেছেন।’

কেএস ইমরান নামের আরেক দর্শক লিখেছেন, ‘মনটা জুড়িয়ে গেলো। প্রায় ছোট থেকে ঢাকায় থাকি, গ্রামের মর্ম বুঝি নাই। আজ বুঝলাম গ্রামের মর্ম। সুযোগ পেলেই আপনজনদের কাছ থেকে ঘুরে আসবো।’

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে মনিরা আক্তার মিঠু, বড়দা মিঠু ও শিল্পী সরকার অপু (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

মো. নুরুল আবসার লিখেছেন, ‘এমন অসাধারণ সুন্দর পারিবারিক নাটক যদি না দেখতাম তাহলে হয়তো বুঝতেই পারতাম না এতো ভালো নাটক হয় কীভাবে। যিনি নাটকটি লিখেছেন আর যিনি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন এককথায় বলতে গেলে অসাধারণ একটা কাজ হয়েছে। নাটকটির সকল অভিনয়শিল্পীর অভিনয় অসাধারণ হয়েছে। নাটকটা দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। মনে হচ্ছিল নাটকের একটি চরিত্রের সঙ্গে আমার নিজের চরিত্র মিশে গেছে। আগামীতে এমন আরো অনেক সুন্দর নাটক দেখতে চাই।’

মো. সজীব হোসেন নামের একজন লিখেছেন, ‘জীবনে প্রথম একটি বারও কোনো স্কিপ করা ছাড়া নাটক দেখেছি। কী অসাধারণ বাস্তবিক একটি গল্প আর সকলের এমন আবেগপ্রবণ অভিনয়। অসাধারণ ছিলো।’

মীর কামরুল ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, ‘নাটকটি দেখে ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। চোখ দিয়ে অঝোরে পানি পড়ছে আমার। এত সুন্দর একটি নাটক উপহার দেওয়ার জন্য সিনেমাওয়ালাকে ধন্যবাদ। ভুলতে পারবো না, সারাজীবন মনে থাকবে এই নাটকের কথা। যিনি নাটকটি বানিয়েছেন তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

মেহেদি হাসান নামের এক দর্শক মনে করেন, ‘হৃদয়ে গেঁথে থাকবে এমন একটি নাটক। এবারের ঈদের শ্রেষ্ঠ নাটক হবে এটি।’

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে তানজিম সাইয়ারা তটিনী (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

সাখাওয়াত হোসেন রনি নামের একজন লিখেছেন, ‘আমার দেখা অন্যতম সেরা নাটক এটি। রক্তের সম্পর্কগুলো টিকে থাকুক আজীবন। এমন পারিবারিক বন্ধনের নাটক আরো হোক। ধন্যবাদ নাটকটির পুরো টিমকে।’

মাহালি সজল নামের একজন লিখেছেন, ‘আশি ও নব্বই দশকের পর অন্যতম একটি পারিবারিক নাটক উপহার দিলেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ; যেখানে ভালোবাসা, অভিমান ও আবেগ মিশে একাকার। একান্নবর্তী পরিবারের ভালোবাসার একটি অনন্য উদাহরণ এই নাটক। পারিবারিক ও রক্তের সম্পর্কের সঙ্গে অন্য কোনো সম্পর্কের কোনো তুলনা হয় না। কিন্তু এগুলো তখনই সুন্দর ও সুমধুর হয় যখন অন্য পরিবার থেকে আসা নারী শ্বশুরবাড়িকে আপন মনে করে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে সবার সঙ্গে সমন্বয় সাধনের মানসিকতা দেখায়।’

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে শিল্পী সরকার অপু, তানজিম সাইয়ারা তটিনী ও মনিরা আক্তার মিঠু (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

হাসান নামের একজন লিখেছেন, ‘একান্নবর্তী পরিবারের বড় ছেলের ঘরে বড় ছেলে আমি। অনেক মিস করছি আমার একান্নবর্তী পরিবারকে, যেখানে কানায় কানায় ছিল পরিবারের সুখ-শান্তি। সময়ের বিবর্তনে আজ আমরা একজন আরেকজনের থেকে অনেকদূরে। নাটকটি দেখে আমার হারানো স্মৃতি ফিরে পেলাম, চোখ জলে ভিজে গেলো। সত্যিই অসাধারণ লেগেছে, ছুঁয়ে গেছে আমার মনপ্রাণ। আমাদের সমাজ ও পরিবারের কিছু অনবদ্য গল্প তুলে ধরার জন্য সকলকে অনেক ধন্যবাদ। আপনারা সার্থক ও ধন্য।’

এক দর্শক লিখেছেন, ‘নাটকটি দেখার পর একটা কথাই মনে পড়লো, জীবনে খুব করে চাইতাম যৌথ পরিবারে সবাই একসঙ্গে থাকবো। সেরকমই ছিলো আমার পরিবারও। কিন্তু সম্পত্তির লড়াইয়ে সম্পর্ক যেন মূল্যহীন হয়ে গেলো। এক নিমেষে সবাই আলাদা হয়ে কেউ কারও মুখও দেখে না, কেউ কারও সঙ্গে ঠিকভাবে কথাও বলে না। সম্পত্তির লোভ রক্তের সম্পর্কগুলোকে আলাদা করে দিলো। নাটকটা দেখে শুধু এটাই মনে হলো যদি সবাই এমন করে ভাবত তাহলে আমার পরিবারের সবাই একসঙ্গে থাকতাম। এবারের ঈদের অন্যতম সেরা একটি নাটক।’

কেএম রিয়াদ নামের একজন লিখেছেন, “বাংলা নাটক অনেক দেখেছি। তবে এত সুন্দর ও গোছানো পারিবারিক নাটক দেখা হয়নি। একটি নাটক যে এতটা মর্মস্পর্শী হতে পারে জানা ছিলো না। কখনো কোনো নাটক কিংবা ফিল্ম দেখে এতটা আবেগাপ্লুত হইনি। নাটকটি আমাকে যত আবেগাপ্লুত করেছে ততই চোখের কোণ থেকে পানি মুছতে হয়েছে। প্রত্যেক অভিনয়শিল্পীকে মনে হচ্ছিলো সত্যিকারের প্রতিচ্ছবি। অসাধারণ কাজ করেছেন সবাই। পরিচালকের অসাধারণ ভাবনা ও নিঁখুতভাবে চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তোলার জন্য আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা নাটকটি দেখে ফেললাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পর্দার নেপথ্য থেকে আসা আবহ সংগীতের প্রশংসাও করবো। প্রতিটি দৃশ্যের সঙ্গে সেগুলোর সম্মিলন সত্যি অসাধারণ। কখনো কোনো ফিল্মকে ১০-এ ১০ দেইনি। কিন্তু ‘তোমাদের গল্প’কে ১০-এ ১০ দিলাম। আশা রাখি, বাংলা নাটকের বাঁকবদল ঘটাবে এই কাজটি।”

‘তোমাদের গল্প’ নাটকে ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিম সাইয়ারা তটিনী (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

মো. সুমন খান নামের একজন লিখেছেন, ‘পরিস্থিতির কারণে দূরে থাকলেও রক্তের সম্পর্কের বন্ধন কখনো ছিন্ন হয় না। স্বার্থের জন্য ভুলে থাকলেও সময়ের ব্যবধানে আবার সবাই এক হয়ে যায়। রক্তের সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা আসলেই খুবই কষ্টের ব্যাপার। নাটকটিতে রক্তের সম্পর্কের মূল্যবোধ বোঝানো হয়েছে। এককথায় অসাধারণ নাটকটি। এমন কোনো দর্শক নেই যে নাটকটি দেখে কান্না না করে থাকতে পারবে।’

ইমামুল খান নামের একজন লিখেছেন, “এবারের ঈদে অনেক বাংলা নাটক বেরিয়েছে, এরমধ্যে আমার মনে হয় এবারের ঈদের সেরা নাটক ‘তোমাদের গল্প’। নাটকের আবহসংগীত ও লোকেশন অসাধারণ। প্রত্যেকের অভিনয় দুর্দান্ত। ১ ঘণ্টা ৩২ মিনিটের নাটক যে কখন শেষ হলো বুঝতে পারলাম না। রক্তের সম্পর্ক, হাসি-আনন্দসহ নাটকের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে থাকার যে অনুভূতি সেগুলো অসাধারণ। আমার মনে হয়, তটিনীর সেরা একটি নাটক এটি। শেষের অভিনয় দুর্দান্ত, তখন কান্না করতে হয়েছে। নাটকটি বুঝিয়েছে রক্তের সম্পর্কই আসল সম্পর্ক। পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের এত সুন্দর একটি নাটক উপহার দেওয়ার জন্য। ধন্যবাদ সকল অভিনেতা-অভিনেত্রীকে।”

শিশির নামের একজন লিখেছেন, ‘ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত কখনো দাদা-দাদি, চাচা-চাচি, চাচাতো ভাই-বোন কারো আদর, স্নেহ, ভালোবাসা পাইনি। মাঝে মধ্যে যখন নাটক-সিনেমায় পরিবারের আত্নীয়স্বজনদের বন্ধনগুলো দেখি তখন এসব নিয়ে খুব আফসোস হয়। কিন্তু এই নাটকের মতো কোনো গল্প মনের এতটা গভীরে নাড়া দিতে পারেনি। নাটকটি যখন দেখা শুরু করলাম প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে রাতুল চরিত্রে ভেবেছিলাম। শেষ দৃশ্যে অজান্তে চোখের কোণ বেয়ে পানি চলে এসেছে। নাটকটি হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। পরিচালক মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

পশ্চিমবঙ্গ থেকে একজন ভারতীয় দর্শক লিখেছেন, ‘এত সুন্দর একটি গল্প। চোখ দিয়ে অনবরত জল গড়িয়ে যাচ্ছে। খুব সুন্দর। এমন নাটক আমরা আরো দেখতে চাই।’

মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ (ছবি: সিনেমাওয়ালা নিউজ)

মাসুদ আলম নামের একজন কলকাতার মালদা জেলা থেকে নাটকটি দেখে লিখেছেন, ‘এরকম পারিবারিক ঈদ নাটক একটাও দেখিনি। অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। শেষ দৃশ্যে চোখে জল চলে এসেছে।’

বিষ্ণুদেব চট্টোপাধ্যায় নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘অসাধারণ একটি নাটক দেখলাম। প্রথমেই নাটকটির সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানাবো। ঈদের দিন সকালে তুলি যখন রাতুলকে ঈদ মোবারক বললো, রাতুল আব্বার কবরের সামনে আব্বা আব্বা ডাক, ঈদের চাঁদ সবাই মিলে একসঙ্গে দেখা, রাতুল যখন বাড়ি ফিরে যাচ্ছিলো তখন জঙ্গলে দাঁড়িয়ে ছোট চাচার দেখা, অসাধারণ অভূতপূর্ব সুন্দর। তটিনীর অভিনয়, গোটা নাটককে নিজের চরিত্র সবাইকে লক্ষ্য করালো, নায়কও ভালো অভিনেতা। এই নাটকে কেউ কম যায় না, সবাই বলে আমাকে দেখ, সেজন্যই শেষ বেলায় চোখে জল এসে গেলো।’

সৌরভ বিশ্বাস নামের একজন লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় এরকম নাটক কমই দেখছি। দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি। ঈদের সেরা নাটক এটি। সত্যিই অসাধারণ। আসলেই রক্তের একটা আলাদা টানই অন্যরকম।’

‘তোমাদের গল্প’ নাটকের পোস্টার (ছবি: সিনেমাওয়ালা)

রাশিয়ার মস্কো থেকে ‘তোমাদের গল্প’ দেখে নাজমুল শুভ লিখেছেন, ‘পরিবার-আত্মীয় সবাইকে ছেড়ে একাকী এবারের ঈদ কেটেছে। ঈদের দিন নিজেকে খুব একা লেগেছে। চাইলেও সবাইকে নিয়ে ঈদ উদযাপন করতে না পারার যে কষ্ট সেটা বলে বোঝানো যাবে না। অসাধারণ ছিলো নাটকটি। আসলেই রক্তের সম্পর্ককে কখনোই অস্বীকার করে দূরে থাকা যায় না। সবার পারিবারিক বন্ধন এভাবে অটুট থাকুক আমৃত্যু পর্যন্ত।’

প্রবাসী দর্শক সাদিকু রহমান লিখেছেন, ‘এককথায় অসাধারণ। মনটা জুড়িয়ে গেছে। সত্যি বলতে নাটকটি দেখে অনেক কান্না করেছি। অসংখ্য ধন্যবাদ পরিচালক ও নাটকটির সঙ্গে যুক্ত সকলকে।’

মোহাম্মদ লিটন নামের আরেক প্রবাসী লিখেছেন, ‘আমি একজন প্রবাসী। নাটক-সিনেমা দেখার সময় হয় না। দীর্ঘ পাঁচ-সাত বছর পরে একটি ইউটিউব ফিল্ম দেখলাম ও চোখের পানি ফেললাম।’

প্রবাসী মো. সাইদুল ইসলাম লিখেছেন, ‘প্রবাসী হিসেবে ঈদটা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কাটছিলো। কিন্তু এই নাটক দেখার পরে ঈদের কিছু অনুভূতি পেয়েছি। অসাধারণ লেগেছে।’’

আরেক প্রবাসীর কথায়, ‘অনেক সুন্দর নাটক। নাটকটি দেখে এই দূর-প্রবাস থেকে ছুটে যেতে ইচ্ছে করছে আমার পরিবার ও আত্মীয়র কাছে।’

নাটকটিতে ব্যবহৃত গান আলাদাভাবে ভালো লেগেছে অনেকের। ‘মায়াজাল’ শিরোনামের গানটি গাওয়ার পাশাপাশি সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন আরফিন রুমি। এর কথা লিখেছেন জনি হক। সুমন হোসেনের চিত্রগ্রহণ প্রশংসা কুড়িয়েছে। রঙ বিন্যাস ও সম্পাদনা করেছেন রাশেদ রাব্বি।

মন্তব্য করতে ক্লিক করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Advertisement

সিনেমাওয়ালা প্রচ্ছদ